H i , Guest

Notice: We Need Some Editor For Maintain Our Site.

Search

Home » Love Stories » অপূর্ন ভালবাসা (পর্ব-৪+শেষ)

About 6 days ago 27 Views

author

হৃদয় এর এভাবে চুপ থাকা দেখে মিম বললো

—-কাজ টা তুমি ঠিক করলে না হৃদয়।শ্রুতির কি অপরাদ করেছিলো তোমাকে সত্যিকারের ভালবাসে।…….(মিম)
—-হ্যা আমি যা করেছি শ্রুতির ভালোর জন্যই করেছি।শ্রুতি যতটা না কষ্ট পেয়েছে তার থেকে শত গুন কষ্ট আমি পেয়েছে।আরে আমি জানি শ্রুতির মতো আমাকে আর কেও ভালবাসতে পারবেনা।আজ আমি সব বলবো তদের।…….(হৃদয়)
—-কি হয়েছে তর।…..(আকাশ)
— হ্যা আজ সব বলবো তদের।কিন্তু তদের আমার কসম করে ওয়াদা করতে শ্রুতি যেন এখন এসব কিছুই না জানে।……(হৃদয়)
—-ওকে বল।…….(আকাশ)
হৃদয় সব খুলে বললো আকাশ,ফারিয়া আর মিম কে।
হৃদয়ের কথা শুনে সবাই অবাক হয়ে গেছে।কি বলবে তারা কিছুই বুঝতাছে না।হৃদয় নাকি তাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যাবে।সবার চোখ দিয়েই পানি বেরুচ্ছে।এমন সময় আকাশ হৃদয় কে জড়িয়ে ধরে কাদতে লাগলো আর বললো আগে বলিস নি কেন এগুলো।
—–তকে অনেক ভুল বুঝেছি।আসলে তুই শ্রুতি কে এতো টা ভালবাসিস তা আজ বুঝতে পারলাম।…….(আকাশ)
সবাই কাদছে আসলে তারা বুঝতে পারছে হৃদয়ের মতো ভালো ছেলে আর হয়তো খুজে পাওয়া যাবে না।
—এই কাদছিস কেন তরা।মানুষ কি চিরকাল বেচে থাকে,আর আমি২ মাস পর গ্রামের বাড়ি চলে যাবো।ভালো থাকিস তোরা।আর মিম তুমাকে একটা কাজ করতে হবে।আমি গ্রামে যাওয়ার আগে তোমাই একটা জিনিস দিবো।

“”
“”
আজ শ্রুতি কে দেখতে এসেছে পাত্র পক্ষ।
এসেই শ্রুতি কে তাদের পছন্দ হয়েছে তাই আংটি পরিয়ে দিয়ে গেছে।৩ মাস পর তাদের বিয়ে।
এর মাঝে দেখতে দেখতে ২ মাস হয়ে গেছে।
হৃদয় আজ চলে যাচ্ছে গ্রামের বাড়ি আর হয়তো আসবে না এখানে।
আকাশ ফারিয়া আর মিম সবাই হৃদয় কে বিদায় জানাতে এসেছে।সবার চোখেই আজ জল।সবাই কাদছে তারা।


—-আমার বাসের সময় হয়ে গেছে আমি এখন আসি।ভালো থেকো তোমরা সবাই।…….(হৃদয়)
—-তুই ও ভালো থাকিস,খুব কষ্ট হবে তকে ছাড়া।খুব মিস করবো রে(এই বলে আকাশ হৃদয় কে জড়িয়ে ধরে কাদতে লাগলো)।…….(আকাশ)
—এই মিম এই নাও এটা শ্রুতি কে দিও।(একটা চিঠি)।……….(হৃদয়)
এই বলে হৃদয় বাসে উঠে পড়লো।
“”
আর এক মাস পরে শ্রুতির বিয়ে। শ্রুতি হৃদয় কে প্রায় ভুলেই গেছে।তারপর মাঝে কাদে হৃদয়ের জন্য।
শ্রুতি বসে আছে তাদের বাসায় এমন সময় মিম আসলো শ্রুতিদের বাসাই।
—-কেমন আছো শ্রুতি।…(মিম)
—- হুম ভালো। তুমি আসছো ভালোই হলো,আর আমি যেতাম তুমার কাছে আমার বিয়ের দাওয়াত দিতে।……(শ্রুতি)
—-এই নাও(হৃদয় এর দেয়া সেই চিঠি টা) ভালো করে চিঠি টা পড়ো,অনেক কিছুই জানতে পারবে।………(মিম)
—কার চিঠি এটা,আর কিসের চিঠি।……(শ্রুতি)
—-পড়লেই বুঝতে পারবে।আমি আজ আসি খুব তাড়া আছে আমার।…..(মিম)
এই বলে মিম চলে আসলো।
শ্রুতি চিঠি টা হাতে নিয়ে ভাবছে কার চিঠি হতে পারে এটা আর কি লেখা আছে এতে।
রাত প্রায় দশ টা বাজে শ্রুতি রাতের খাবার খেয়ে তার রুমে এসে সেই চিঠিটা খুললো। আর খুলেই দেখতে পেলো সে চির চেনা হাতের লেখা।চিঠি টা শ্রুতি পড়তে লাগলো।
“”
“”
প্রিয় শ্রুতি,,,,,
জানি এতো দিনে হয়তো আমায় ভুলেই গেছো।আমায় যতটা না ভালবাসতে তার বেশি এখন আমায় ঘৃনা করো।চিঠি টা যখন তুমি পেয়েছো এতো দিনে হয়তো আর আমি নেই।চলে গেছি সব কিছুর মায়া ছেড়ে।আমি জানি তুমি আমায় অনেক ভালবাসতে।আসলে আমার কিছু করার ছিলো না।আসলে ঢাকা গিয়েছিলাম আমি ডাক্তারের কাছে যেখানে যেয়ে জানতে পারলাম আমার ক্যান্সার ডাক্তার বললো আমি নাকি বেশি দিন বাচবো না।তাই আমার এই জিবনের সাথে তোমাই জড়াতে চাই নি।আমি তোমার সাথে ভালবাসার মিথ্যা অভিনয় করিনি।বরং ভাল না বাসার মিথ্যা অভিনয় করেছি,।আসলে আমি চেয়েছি তুমি ভালো থেকো।আমার চলে যাওয়ার খবর যখন তুমি পেতে তাহলে হয়তো নিজের জীবন ই শেষ করে দিতে।তাই তোমাকে অবহেলা আর কষ্ট দিয়ে দূরে সরিয়ে দিয়েছি।বিশ্বাস করো তুমি যতটা না কষ্ট পেয়েছো তার অনেক বেশি কষ্ট আমি পেয়েছি।পারলে ক্ষমা করে দিও।অনেক কথা দিয়েছিলাম রাখতে পারিনি।আসলে রাখার সুযোগ টাই পেলাম না।বিশ্বাস করো ঢাকা থেকে আসার পর প্রতিটি রাত ই কেদেছি আমি।হাজারো কষ্ট বুকে চাপা দিয়েছি।তুমি নতুন কাও কে নিয়ে,নতুন সংসার করো।তাহলে হয়তো আমার আত্যা একটু শান্তি পাবে।আর পারলে ক্ষমা করে দিও।ভালো থেকো তুমি।

ইতি,
স্বার্থপর হৃদয়।

চিঠিটা পড়তে পড়তে চোখের জলে চিঠিটার অনেক লেখাই মুছে গেছে।শ্রুতির ইচ্ছা করছে চিৎকার করে কাদতে।কিন্তু পারছেনা।
শ্রুতির ইচ্ছা করছিলো নিজের জীবন শেষ করে দিতে কিন্তু বাবা মা কথা ভেবে কিছু করেনি।
আসলে সত্যি এতো দিনে সে হৃদয় কে ভুলেই গেছে প্রায়।আজ সে সব বুঝতে পারছে।তার এখন কান্না করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই।হৃদয় এর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ টাও নেই।কারন হৃদয় চলে গেছে না ফেরার দেশে।তাদের ভালবাসা টা পূর্নতা পেলনা,অপূর্ন ই রয়ে গেলো।শুধু রয়ে গেলো কিছু স্মৃতি যা আজ ও শ্রুতি কে কাদায়।

——সমাপ্ত—–
গল্প টা লেখতে লেখতে আমার চোখ দিয়ে পানি এসে গিয়েছিলো।
আশা করি গল্প টা আপনাদের ভালোই লেগেছে।ধন্যবাদ সবাই কে এতো কষ্ট করে আমার গল্প টা পড়ার জন্য।

2 responses to “অপূর্ন ভালবাসা (পর্ব-৪+শেষ)”

  1. ridoymini
    (author)

    good copy korlam

Leave a Reply

Related Posts

অপূর্ন ভালবাসা (পর্ব-৩)

Posted By: - 1 week ago - 3 Comments

অপূর্ন ভালবাসা (পর্ব-২)

Posted By: - 1 week ago - 1 Comment

ভালোবাসার পুনর্বাসন

Posted By: - 1 week ago - 4 Comments

অপূর্ন ভালবাসা (পর্ব-১)

Posted By: - 2 weeks ago - 2 Comments